Posts

দৃষ্টিনন্দন ককাটিয়েল

Image
সৌন্দর্যের মুগ্ধতা ছড়ানো দৃষ্টিনন্দন পাখি ককাটিয়েল। কিছুদিন আগেও ধনাঢ্য সৌখিন মানুষের বাড়িতেই শুধু এই সুন্দর পাখি শোভা পেত। দেখতে অনেকটা কাকাতুয়ার মতো হওয়ায় কেউ কেউ ভুল করে কাকাতুয়া নামে ডাকত। অস্ট্রেলিয়ার উপকুল অঞ্চলে ককাটিয়েলের আদিনিবাস। পূর্ণবয়স্ক ককাটিয়েল ১২-১৫ ইঞ্চি লম্বা ও ওজন হয় ১৫০ গ্রাম। গড় আয়ু সাধারণত ১০-১৫ বছর। সুস্থ-সবল পুরুষ ককাটিয়েল ৩০-৩২ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকে বলে জানান পাখি বিশারদরা। এই দৃষ্টিনন্দন পাখি ককাটিয়ালের প্রতি আকৃষ্ট হয়েই পাখিপালন শুরু করেন গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়ার শিমুলতাইড় গ্রামের অরূপ কুমার রায় রতন। তার এই শখের বসে পাখিপালন এখন পরিণত হয়েছে পেশায়। শৈশব থেকেই পাখিপ্রেমী রতন নানান জাতের হাঁস-মুরগি ও কবুতর পুষতেন। ব্যবসায়ী বাবা বিষ্ণুপদ রায় ও মা আরতি রায় এবং দুই বোনের উৎসাহই তার অনুপ্রেরণা। ২০০০ সালে বগুড়ার বোনের বাসায় থেকে পড়াশোনা করতে যান রতন। ক্লাসের পাশাপাশি তার একটাই চিন্তা, কীভাবে ভিন্নজাতের পাখি পোষা যায়। পরিচিত একজনের পাখিপালন দেখে বিদেশি জাতের পাখি পালন করার ইচ্ছা জাগে তার। সেই মনোবাসনার কথা শিক্ষক ভগ্নীপতি শ্যামাপদ মোস্ত...

বাজরিগার চেনার উপায়

Image
বাজরিগারকে বলা হয় কেইজ বার্ড বা খাঁচার পাখি। বন্যপাখি পালন করা বা ধরা আইনত অপরাধ। খাঁচায় পালন করা পাখি, জন্ম থেকে খাঁচাতেই বসবাস করে। এসব পাখি বাইরে ছেড়ে দিলে আশ্রয়স্থল খুঁজে তো পাবেই না, উল্টো তারা কাকের খাবার হয়ে যাবে নিশ্চিত। এই রকমই খাঁচার পাখি হচ্ছে বাজরিগার।   এই পাখি পালন করে শখ মেটাচ্ছেন অনেকে। পাশাপাশি আয়ও করছেন। শখের পাখি পালন করতে গিয়ে আবার বেশ সমস্যাও হতে পারে। প্রথম সমস্যা হচ্ছে পাখির বয়স নির্ণয়। ১ জোড়া বাজরিগার কিনতে সাধারণত খরচ পড়ে ৮শ’ টাকা। পাখিব্যবসায়ী বিক্রির স্বার্থে অনেক সময় বলেন, ‍“আর কদিন পরেই এই জোড়া ডিম দেবে।” কিনে আনার পর ৬ মাস পেরিয়ে যায় অথচ পাখি আর ডিম পাড়ে না।  কমবয়সী জোড়া পাখির দাম সাধারণত ৪শ’ টাকা। অথচ পূর্ণবয়স্ক পাখি ডিম পাড়ার কথা বলে ৮শ’ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। এক্ষেত্রে ঠকছেন ক্রেতা। শুধু তাই নয় অনেক সময় জোড়া মেলাতেও ভুল হয়। জোড়া পাখির মধ্যে দুটো পাখিই হয়ে যেতে পারে পুরুষ বা মেয়ে পাখি। আবার পূর্ণবয়স্ক বাজরিগারের সঙ্গে অল্পবয়স্ক পাখির জোড়া মিলিয়ে দিলেও বংশবিস্তার করবে না। চেনার উপায় পূর্ণবয়স্ক পুরুষ বাজরিগারের নাকের ছিদ্...

পাখি পালন অনেকের শখ। আবার অনেকে পাখি পেলে বাড়তি আয় করেন। খাঁচায় পালন করা যায় এরকম পাখির মধ্যে জাভা স্প্যারো অন্যতম।

Image
এই পাখি পালন সম্পর্কে বিস্তারিত জানাচ্ছেন শৌখিন পাখি পালক শহীদুল ইসলাম। জাভা স্প্যারো, অনেকে জাবা ফিঞ্চ নামে চেনেন। খাঁচার পাখি বাণিজ্যের ফলে বিশ্বজুড়েই এই পাখি পালন চালু রয়েছে। ইন্দোনেশিয়ার বালি এলাকায় বসবাস করা এই পাখি খাঁচায় পালন করা হলেও তাদের নিজ এলাকায় এরা দলবদ্ধভাবেই বসবাস করে। এই পাখি বেশ চঞ্চল। শুধুমাত্র পুরুষ জাভা গান করে। ৪ থেকে ৮ সপ্তাহের মধ্যেই এরা গান করা শুরু করে। যে পাখিটি গান করবে সে পাখিটিকে আলাদা করে একটি প্লাস্টিকের রিং পায়ে পরিয়ে দিলে স্ত্রী পুরুষ চেনা সহজ হয়। একই রংয়ের পাখির বাম পায়ে রিং এবং অন্য রংয়ের পাখির ডান পায়ে রিং পরাতে হয়। তবেই সনাক্তকরণে সুবিধা হয়। স্ত্রী ও পুরুষ ভেদে শব্দের মধ্যে তারতম্য লক্ষ করা যায়। প্রজনন উপযোগী পুরুষ জাভার চোখের বৃত্ত গাঢ় রংয়ের হয়। জাভা পাখির ডাক অনেকটা ছিপ্‌ছিপ্‌ছিপ্‌ছিপ্‌ এর মতো শোনা যায়। আর শুধুমাত্র পুরুষ জাভাই গান করে। জাভার লাইফ সাইকেল ডিমের পরিমাণ: ৪টি থেকে ৬টি। কখনও ৮টি পর্যন্ত হতে পারে। ডিম ফোটার সময়কাল: ১৪ দিন পর থেকে ১৮ দিন। বাচ্চারা উড়তে সক্ষম: ২১ থেকে ৩১ দিন। প্রথম পালক খসা বা ঝরা: ৩ মাস থে...

বাজরিগার পাখি পালন পদ্ধতি

Image
বাজরিগার প্রধানত অস্ট্রেলিয়ার পূর্ব ও দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূল অঞ্চলে বনাঞ্চলের পাখি। তাছাড়াও তাস্মেনিয়া এবং আশপাশের কয়েকটি দেশেও এই পাখি দেখতে পাওয়া যায়।  বনে বাস করে এমন বাজরিগার লম্বায় প্রায় ৬.৫ থেকে ৭ ইঞ্চি হতে পারে। তবে খাঁচায় পালা পাখি লম্বায় ৭ থেকে ৮ ইঞ্চি হয়ে থাকে। বন্য পাখির ওজন ২৫ থেকে ৩৫ গ্রাম। আর খাঁচায় পালনকারা পাখির ওজন ৩৫ থেকে ৪০ গ্রাম পর্যন্ত হয়। শুধুমাত্র অস্ট্রেলিয়া মেলোপসিট্টাকাস প্রজাতির এই পাখি ১৭০০ শতাব্দিতে তালিকাভূক্ত হয়। বাজরিগার প্রাকৃতিকভাবে সবুজ ও হলুদের সঙ্গে কালো রংয়ের হয়। এছাড়াও থাকে নীল, সাদা, হলুদ রংয়ের ছোপ। সারা গায়ে পেটের নিচে আকাশি, হলুদ বা অন্য রংয়েরও হয়ে থাকে। এই পাখির উপর গবেষণা চালিয়ে অস্ট্রেলিয়ার অধিবাসীগণ প্রতিপালন শুরু করে সফলতা পায়। জানতে পারেন ঘনঘন ব্রিডিং সম্ভব এই পাখির। একবার যদি বাচ্চা দেওয়া শুরু করে তো আর থামেই না। বাজরিগারের নাম টিয়া পাখির ঠোঁটের মতো এরা বিভিন্ন নামেরও হয়। যেমন; অ্যালবিনো, লুটিনো বাইল, ডিনিসপাই ও ইংলিশ বাজরিগার। অ্যালবিনো সাদা রংয়ের, লুটিনো বাইল হলুদ রংয়ের লাল চোখবিশিষ্ট। বাজরিগার পৃথিবীর অন্যতম জনপ্রিয় পোষা ...

***কোন কোন উপসর্গ বা লক্ষন দেখে বুঝতে পারবেন আপনার প্রিয় পাখিটি অসুস্থ হয়েছে কিনাঃ

*কোন কোন উপসর্গ বা লক্ষন দেখে বুঝতে পারবেন আপনার প্রিয় পাখিটি অসুস্থ হয়েছে কিনাঃ  ১। ঘনঘন শ্বাসপ্রশ্বাস নেওয়া (অস্বাভাবিক ভাবে লেজ নাড়ানো অথবা উঠা নামা করানো) । ২। অস্বাভাবিক ভাবে পশম ঝরে পড়া । ৩। অস্বাভাবিক পায়খানা ।(যেমন-সম্পুর্ন সবুজ, ফেনা জাতীয়, সম্পুর্ন সাদা)  ৪। বমি করতে থাকা । ৫। ওজন হ্রাস পেতে থাকা । ৬। পালক টেনে তোলা । ৭। খাঁচার এককোণে চুপ করে বসে থাকা ।(সুর বা ডাকার শব্দে পরিবর্তন আসা) ৮। চঞ্চলতা কমে যাওয়া । ৯।  নাক থেকে পানি ঝরা বা শব্দ বের হওয়া । ১০। শারীরিক দুর্বলতা প্রকাশ করা । ১১। অস্বাভাবিক ঘুমের ধরন বা প্রকৃতি । ১২। শরীরের বা পশমের মসৃণতা কমতে থাকা (আবহাওয়া সবাভাবিক থাকা স্বত্বেও গাঁ ফুলিয়ে বসে থাকা)।   ১৩।চোখ থেকে পানি পড়া বা চোখের চারপাশ ফুলে যাওয়া অথবা, চোখের চারপাশের পশম ঝড়ে পড়া। ১৪। মলদ্বারে ময়লা লেগে থাকা অথবা বাথরুম করার সময় কষ্ট হওয়া অথবা খাবার হজম না হয়েই মলের সাথে আস্ত খাবার বের হয়ে আসা ১৫।শরীর কাপতেঁ থাকা ইত্যাদি লক্ষন প্রকাশ করে থাকে ।

যারা খুব বেশি পিঁপড়ার সমস্যায় ভুগতেছেন তাদের জন্য ম্যাজিকাল সমাধানঃ

Image
যারা খুব বেশি পিঁপড়ার সমস্যায় ভুগতেছেন তাদের জন্য ম্যাজিকাল সমাধানঃ যা যা উপকরন লাগবে............ ১। সোহাগা ২। চিনি ৩। পানি বানানোর উপায়ঃ তিনটি উপকরণকে এমনভাবে মিশান যেন মিশ্রনের ঘনত্ব সিরাপের মত ঘন হয়। তারপর ছোট একটি পাত্রে আপনার ঘরের এককোণে রেখে দিন।চিনি এবং সোহাগার পরিমান সমান রাখুন।(মিশ্রনটি আপনার পাখির খাঁচার দূরে রাখুন) তারপর দেখুন কি হয়???

যারা আমার মতো বারান্দায় পাখি পালেন......তারা যা যা করতে পারেন এই শীতের জন্য ......

যারা আমার মতো বারান্দায় পাখি পালেন......তারা যা যা করতে পারেন এই শীতের জন্য ........................ ১। পাখির খাঁচা ভারী কাপড় দিয়ে বিকেল ৪ টায় ঢেকে দিবেন । ২। আপনার পাখি যেন সকালের রোদ পায় তার দিকে খেয়াল রাখতে হবে। (খাঁচায় যেন অর্ধেক ছায়া থাকে সেদিকেও খেয়াল রাখবেন) । ৩। পাখির শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখার জন্য সীড মিক্সের সাথে  তেলবীজের পরিমান বাড়িয়ে দিতে হবে । ৪। ঠান্ডার পরিমান বেশি হলে পাখির খাবার পানির সাথে মধু দিতে পারেন । (পরিমান মতো কুসুম গরম পানিতে) । ৫। দিনে অন্তত সপ্তাহে একদিন জীবানুনাশক খাঁচায় এবং তার আশে পাশে স্প্রে করতে হবে । ৬। দিনে অন্তত ২ বার আপনার পাখির অবস্থান পরীক্ষা করুন । ৭। আপনার পাখির গাঁয়ে কোণও ভাবেই যেন সরাসরি বাতাস না লাগে সেই ব্যাপারে সতর্ক থাকুন । ৮। খাঁচার বাহিরে এমন ভাবে লাইট সেট করুন যেভাবে পাখি তাপ পাবে কিন্তু আলো ছড়াবে না ।(লাইট ঢেকে রাখুন) ৯। ভালো মানের মাল্টি ভিটামিন ব্যবহার করুন তা আপনার পাখির শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে ।(কুসুম গরম পানিতে) ১০। পাখির খাঁচায় সম্ভব হলে খেলনা দিয়ে দিন যা পাখির খেলাধুলার মাধ্যমে...